প্রথমে হাতে ব্যাথা, তারপর কাশি, সাথে ব্লাডও যাচ্ছিলো।
বুঝে উঠতে পারেননি সামনে কি দিন অপেক্ষা করছে। ঢাকা চট্টগ্রাম দৌড়াদৌড়ির পর জানা গেলো শরীরে বাসা বেঁধেছে ক্যান্সার।
বলছিলাম নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার মোঃপুর গ্রামের মতি মিয়ার হাটের সংকর এর কথা। রোগ ধরা পড়ার কয়েকদিনের মাঝেই বিছানায় পড়ে গেলেন। প্যারালাইজড হয়ে গেলো শরীরের নিচের অংশ। অন্যদিকে বাজারে একটা ছোট দোকান চালিতেই চলতো তার পরিবার।
একদিকে অসুস্থতা অন্যদিকে পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব। কোন কূল পাচ্ছিলেন না তিনি। অবশেষে এলাকায় কয়েকজন সেচ্ছাসেবী এগিয়ে আসে এবং পাশে দাঁড়ায় সংকরের। শুরু করে চিকিৎসা এবং অপারেশন।
আমাদের কাছেও খবর আসে, আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী একটা কেমোর অর্থ দিয়ে এসেছি সংকরের পরিবারের হাতে। কথা দিয়েছে ভবিষ্যতে আবার আসবো।
আপনারা যারা সংকরের পরিবারের পাশে দাড়াতে চান। যোগাযোগ করতে পারেন, আমাদের স্মাইল শাটেলের পেইজে দেওয়া নাম্বারগুলোতে।
ছবি LDF এর পক্ষ থেকে সাহায্য পৌছে দিচ্ছে স্মাইল শাটেলের সদস্যরা।